হন্ডুরাসের নতুন প্রেসিডেন্ট-সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো বিভ্রান্তি ও বিভেদ সৃষ্টি করছে: চীন
মে ৮: কিছু প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে, হন্ডুরাসের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বলেছেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন ও চীনের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিগুলো তাঁর সরকারকে পর্যালোচনা করতে হবে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত থাকবে হুয়াওয়েইর সরঞ্জাম। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে, আজ (শুক্রবার) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়ান বেইজিংয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, এই প্রতিবেদনগুলো বিভ্রান্তিকর, বিভেদ সৃষ্টিকারী এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন।
লিন চিয়ান জোর দিয়ে বলেন, চীন ও হন্ডুরাসের মধ্যকার সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়, এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের এতে হস্তক্ষেপ করাও উচিত নয়। চীনের আইনসম্মত অধিকার ও স্বার্থকে সম্পূর্ণরূপে সম্মান করতে হবে।
মুখপাত্র বলেন, “‘এক-চীন নীতি’ আন্তর্জাতিক সমাজের একটি সর্বজনীন ঐকমত্য এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি মৌলিক আদর্শ। এটি চীন ও হন্ডুরাসের মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিকাশের রাজনৈতিক ভিত্তি ও পূর্বশর্ত, এবং এতে কোনো অস্পষ্টতার অবকাশ নেই। কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে, চীন ও হন্ডুরাস পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমান আলোচনার নীতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা চালিয়ে আসছে। এর পারস্পরিক লাভজনক ও দু’পক্ষের জন্য সুবিধাজনক ফলাফল দু’দেশের জনগণের জন্য উল্লেখযোগ্য সুবিধা বয়ে এনেছে, এবং তাদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন লাভ করেছে।
এটা প্রমাণিত যে, ‘এক-চীন নীতি’ মেনে চলা একটি সঠিক সিদ্ধান্ত, যা ঐতিহাসিক বিকাশের সাধারণ ধারা ও সময়ের অগ্রগতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, এবং হন্ডুরাস ও তার জনগণের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”
সূত্র: ওয়াং হাইমান, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।